Posts

ABCD of Spoken English ( ইংরেজি বলার প্রাথমিক পর্যায়)

Image
⚙️ আপনি এই লিংকে ক্লিক করেছেন বা এই পোস্ট টিতে প্রবেশ করেছেন তার মানে আপনি ইংরিজিতে কথা বলতে ইচ্ছুক কিংবা ইংরিজিতে কথা বলছেন। ⚙️ ইংরেজী ভাষায় কথা বলা শেখার প্রাথমিক পর্যায় হলো দৃঢ় সঙ্কল্প গ্রহণ। ⚙️ এবার আমরা কোনো একটি ভাষা জানতে তার যে প্রাথমিক কিছু শব্দ বা word জানা দরকার সেগুলি শিখবো- 👔 GREETING ( এই কথা গুলো আমরা সারাদিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পরি) GOOD MORNING - সুপ্রভাত GOOD NOON - শুভঃ মধ্যাহ্ন GOOD AFTERNOON - শুভঃ অপরাহ্ন GOOD EVENING - শুভঃ সন্ধ্যা GOOD NIGHT - শুভঃ রাত্রি SWEET DREAM - রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বলা যেতে পারে। যেমন আমরা বাংলায় বলি তোমার চোখে সুন্দর সপ্ন নামুক। GOOD DAY - তোমার দিন শুভময় হোক বোঝাতে GOOD BYE - বিদায় জানাতে HOPE TO SEE YOU AGAIN - আবার যেনো দেখা হয় বোঝাতে। 👔 Relations ( ইংরিজিতে বিভিন্ন সম্পর্কের নাম ) Father ( dad dy) - পিতা Mother ( mom my)- মাতা Brother (bro) - ভাই Sister (sis) - বোন Grand father (grandpa)- ঠাকুর-দা (পিতামহ) বা দাদু Grand mother (grandma) - ঠাকুমা বা দীদা Sibling - নিজের মায়ের পেটের ভাই বোন দাদা ...

🇮🇳অপেক্ষা করছে বিশ্ব দরবারে ভারতের আবারো আরেক জয়!

Image
🇮🇳 অপেক্ষায় আছি আবারো আরেক জয়ের! সাধারণত বর্তমান সময়ে ১৮ বয়সী ছেলমেয়েদের নিয়ে বাবামার গর্ব কম চিন্তা বেশি হয়। এই বুঝি কোনো বাজে নেশায় পড়লো, এইবুঝি কোনো বাজে ছেলে বা মেয়ের পাল্লায় পড়লো, এই বুঝি কিছু আজেবাজে কিছু খাওয়া শিখল, এই বুঝি কোনো বিপদে পড়লো - এমন নানান চিন্তা । তবে চন্দ্রজনের মত ভারত আবারো গর্বিত হতে চলেছে ১৮ বছর বয়সী রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দের জন্য। বর্তমানে বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে আমাদের দেশের ১৮ বছর বয়সী এই যুবক। তার জিতের অপেক্ষায়  মা নাগালক্ষ্মী এবং ১৩০ কোটি ভারতীয় জনগণ এবং বিশ্ব দাবাপ্রেমি লোকজন। এইরকম যুবক-যুবতীর জন্য ভারত গর্বিত, এরাই বিশ্ব দরবারে ভারতকে প্রতিফলিত করে।   বর্তমানে যে বয়েসের ছেলেমেয়েরা মোবাইল ছাড়া কিছু বোঝেন সেইবয়েশের একজন যখন বিশ্ব দরবারে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যায় সত্যিই গর্ববোধ হয়। এদের দেখে মনে হয় এখনও আসা আছে... জয় হিন্দ জয় ভারত 🇮🇳

স্বাভাবিকীকরণ কী জানতে চান ?

Image
⚙️ স্বাভাবিকীকরণ কী? 🔺আমাদের জীবনে কোন একটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসার জন্য ধীরে ধীরে সেই বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিয়ত অনুশীলনের মাধ্যমে আমাদের অভ্যাসে পরিণত করাই হল স্বাভাবিকীকরণ। ⚙️ এর ব্যবহার কী? 🔺 আমারা প্রায় সবাই অজান্তেই স্বাভাবিকীকরণ-এর পদ্ধতিটি আমাদের জীবনে ব্যবহার করে থাকি। এর ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুই ধরনের ব্যবহারই রয়েছে, এর সাহায্যে যেমন আমরা নিজেদের বা অন্যের মধ্যে কোন একটি ভালো স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারি ঠিক একইভাবে কোন একটি মানুষের ক্ষতিও করতে পারি। ⚙️ এই পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে? 🔺 আমরা ছোট থেকে বড় হওয়ার সময় অনেক কিছু শিখি। বিশেষ করে বিদ্যালয়ে থাকাকালীন আমরা পড়াশুনা মূলক যে বিষয়গুলি শিখি সেগুলি যদি একদিনে একবারে আপনাকে শিখতে বলা হয় তাহলে আপনারর কেমন লাগবে? আপনি হয়তো বলতে পারেন যে এতসব একদিনে বা একবারে কিভাবে শেখা সম্ভব? আমিও ঠিক ওই বিষয়টাই বোঝানোর চেষ্টা করছি। আমরা যখন কোন কিছু শিখি বা আমাদের মধ্যে যখন কোন একটি অভ্যাস বা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসার চেষ্টা করি, সেই সময় আমাদের সবচেয়ে বড় যে ভুলগুলি হয় সেগুলি হল -      ১. আমরা...

পঞ্চায়েত ভোট ২০২৩ গণতন্ত্রের ভিন্নরূপ

Image
এইবার পঞ্চায়েত ভোটের যা যা ঘটেছে সবকিছু মোটেই আকাঙ্ক্ষিত বা মেনে নেওয়ার মতো নয় । এখানে আমরা যদি কোন রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ না করে নিরপেক্ষভাবে ভেবে দেখি এবার পঞ্চায়েত ভোটে যে হিংসা হয়েছে সেই হিংসার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে দায়ী ঠিক একই ভাবে নির্বাচন কমিশন আমাদের প্রশাসন ব্যবস্থা এবং আমরা আপনার আমার মত সাধারন জনগণ আমরাও কিন্তু সমানভাবে দায়ী। বর্তমান সময়ে আমরা যদি খবর দেখি আমরা বুঝতে পারবো প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল শুধুমাত্র নিজেদের দায়ভারগুলো অন্যের উপর চাপিয়ে দিয়ে সরে যাচ্ছে, কেউ বলছে আমাদের দলের বেশি লোক মারা গিয়েছে তো আমাদের কোন দোষ নেই আবার কেউ বলছে যে না আমাদের দলের অনেক লোক মারা গিয়েছে আমাদেরও কোন দোষ নেই কিন্তু মানবতার দিক থেকে এগিয়ে কেউ এগিয়ে এসে বলছে না যে যেই মারা যাক না কেন আমাদের দায়িত্ব সহকারে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত। এবারে যা যা ঘটেছে সত্যিই দুঃখজনক আমার তরফ থেকে সকলের প্রতি একটা প্রার্থনা থাকবে পরবর্তী নির্বাচন গুলিতে যেন এরকম হিংসা থেকে রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষজন দূরে থাকে। সবাই ভালো থাকবেন জয় হিন্দ জয় ভারত