স্বাভাবিকীকরণ কী জানতে চান ?
⚙️ স্বাভাবিকীকরণ কী?
🔺আমাদের জীবনে কোন একটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসার জন্য ধীরে ধীরে সেই বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিয়ত অনুশীলনের মাধ্যমে আমাদের অভ্যাসে পরিণত করাই হল স্বাভাবিকীকরণ।
⚙️ এর ব্যবহার কী?
🔺 আমারা প্রায় সবাই অজান্তেই স্বাভাবিকীকরণ-এর পদ্ধতিটি আমাদের জীবনে ব্যবহার করে থাকি। এর ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুই ধরনের ব্যবহারই রয়েছে, এর সাহায্যে যেমন আমরা নিজেদের বা অন্যের মধ্যে কোন একটি ভালো স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারি ঠিক একইভাবে কোন একটি মানুষের ক্ষতিও করতে পারি।
⚙️ এই পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে?
🔺 আমরা ছোট থেকে বড় হওয়ার সময় অনেক কিছু শিখি। বিশেষ করে বিদ্যালয়ে থাকাকালীন আমরা পড়াশুনা মূলক যে বিষয়গুলি শিখি সেগুলি যদি একদিনে একবারে আপনাকে শিখতে বলা হয় তাহলে আপনারর কেমন লাগবে? আপনি হয়তো বলতে পারেন যে এতসব একদিনে বা একবারে কিভাবে শেখা সম্ভব? আমিও ঠিক ওই বিষয়টাই বোঝানোর চেষ্টা করছি। আমরা যখন কোন কিছু শিখি বা আমাদের মধ্যে যখন কোন একটি অভ্যাস বা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসার চেষ্টা করি, সেই সময় আমাদের সবচেয়ে বড় যে ভুলগুলি হয় সেগুলি হল -
১. আমরা এক দিনেই সব কিছু করে নিতে চাই।
২. আমরা কোন কিছু শেখার সময় খুব তাড়াতাড়ি ব্যস্ত হয়ে উঠি এবং খুব তাড়াতাড়ি হতাশ হয়ে যায়।
৩. আমরা অল্প সময়ে কোন কিছু বুঝতে বা শিখতে না পারলে রাগ করে আর চেষ্টাই করি না।
৪. আমরা কোন কিছু করার পর সাথে সাথে কোন ফলাফল না পেলে নিজেদের উৎসাহ হারিয়ে ফেলি।
৫. এই সময় আমাদের যে রাগটা হয় সেটাকে আমরা গঠনমূলক কাজে না লাগিয়ে ভাঙ্গন মূলক কাজে লাগাই।
🔸করণীয় : কোন একটি স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য আমাদের মধ্যে বা অন্য কারো মধ্যে আনতে গেলে যা যা করা উচিত সেগুলি হল -
১. কোন কিছু শেখার সময় বা শেখানোর সময় কিংবা যদি আমরা কোন একটি অভ্যাস নিয়ে আসতে চাই আমাদের মধ্যে তাহলে সেটা ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে নিয়ে আসতে হবে একবারে কখনোই হবে না।
২. কোন কিছু শিখতে হলে বা নিজের মধ্যে কোন বৈশিষ্ট্য আনতে হলে আমাদের সেই বিষয়ে সময় দিতে হবে।
৩. কোন কিছু বুঝতে বার শিখতে না পারলে আমাদের ধৈর্য রেখে পুনরায় সেটা চেষ্টা করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা সম্পূর্ণরূপে শিখতে পারছি আর আমাদের সেটি খুবই সময় নিয়ে আস্তে আস্তে ভালোভাবে করতে হবে।
৪. আমাদের এই কথাটা সবসময় মনে রাখতে হবে কর্ম করার সাথে সাথেই ফল পাওয়া যায় না ফল পাওয়ার জন্য একটু দেরি করতে হবে অর্থাৎ প্রত্যেকটি বিষয় আমাকে হয়তো বা অনেকটা সময় দিতে হবে।
৫. কোন কাজে বা শিক্ষামূলক বিষয়ে কম সময়ে সেটি না হলে আমাদের রাগ হবে এটা স্বাভাবিক কিন্তু সেই রাগটাকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করতে হবে অর্থাৎ রাগ করে ভালোভাবে পড়তে বা বিষয়টিকে শিখতে হবে রাগ করে পড়া বাদ দিয়ে বা শেখা বাদ দিয়ে বসে থাকলে হবে না।
⚙️ নিজের অতিক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা থেকে কথা গুলো লিখলাম ভালো লাগলে সামাজিক মাধ্যমে ( সোসিয়াল মিডিয়া) বিতরণ ( শেয়ার ) করতে পারেন...
Comments
Post a Comment